Saturday, June 27, 2015

গণ আদালত থেকে গণজাগরণ মঞ্চ এবং ঘাতকদের ফাঁসি : শহীদ জননীর মৃত্যুবার্ষিকীতে আমাদের দায়।

৯০ এর গণ অভ্যুত্থানের পরে আরো একটি বড় আন্দোলন গড়ে উঠে বাংলাদেশে। আমার মতো যারা এখন ৪০+ নাগরিক তাদের হৃদয় থেকে 'ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি'র সেই মহান আন্দোলনের ঘটনাবলি কখনোই মুছে যাবে না। লক্ষ লক্ষ মানুষ সেই আন্দোলনে ছুটে যেতেন শহীদ জননীর ডাকে। সারা জাতি একতাবদ্ধ হয়েছিলো ৭১ এর ঘাতকদের বিচারের জন্য। আর গণ আদালতের রায়ের দিনে যত লক্ষ মানুষের সমাবেশ হয়েছিলো, ৭১ এর পরে এতো মানুষ কোন সমাবেশে হয়েছিলো কিনা জানি না।
সেই আন্দোলনে আমার মতো যারা নিয়মিত গিয়েছিলেন, তারা সবাই যেতেন প্রাণের টানে। আন্দোলনের এতই শক্তি ছিলো আমার মতো ঘরকুণো মানুষগুলোও কাতারে কাতারে ছুটে যেতো। সেই আন্দোলন নিয়ে যতটা ইতিহাস লেখা প্রয়োজন ছিলো, হয়তো তার জন্য সময় লাগবে।
কিন্তু মহান সেই আন্দোলনের দাবি কিন্তু সত্যি সত্যি এই বাংলার মানুষ আদায় করছে। হয়েছে গণজাগরণ মঞ্চ। শহীদ জননী জাহানারা ইমামের সেই আন্দোলনে যারা ছিলেন তারা সম্ভবত ঘরে থাকতে পারেন নি, গণজাগরণ মঞ্চের সেই আন্দোলনে। আমিও পারি নি। সেই আন্দোলনে নিয়মিত যাওয়ার জন্য আমাকে ব্যক্তিগতভাবে ব্যাপক আর্থিক এবং নানাবিধ সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছে। এ রকম হাজার হাজার মানুষ নানাভাবে ক্ষতির শিকার হয়েছে। অনেকেই চাকুরিও হারিয়েছেন।
কিন্তু কেনো গেছি? ওই যে শহীদ জননী হৃদয়ে যে বীজ বপন করে দিয়েছেন, তা তো বয়সের সাথে সাথে আলো বাতাসে ভালোভাবে বেড়ে উঠেছে।
কেন দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত বাংলাদেশের জন্য যুদ্ধাপরাধীদের বিচার অপরিহার্য, তা তো বুঝিয়েছেন শহীদ জননী। পাকিস্তানী দালালদের চিনতাম কীভাবে? এরা শহীদ জননীকে 'জাহান্নামের ইমাম ' বলতো। ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস - বাংলার মানুষকে শহীদ জননী তাদের বিচারের যে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন তার মৃত্যুর দুই দশক পরে সত্যি সত্যি তা বাস্তবায়িত হচ্ছে।
আমরা যারা অসম্ভব মনে করতাম, শহীদ জননী তা সম্ভব বলতেন এবং তিনি বলতেন বিচার হতেই হবে এবং হবেই। এবং বিচার এখন ঠিকই হচ্ছে।
আমরা হয়তো অনেক কিছু ভুলে যাই। গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলন যখন শুরু হয়, গিয়ে দেখি সেখানে শহীদ জননীর কোন কথা নেই, তার ছবি নাই - অনেকের ছবি সেখানে আছে। এই ফেসবুকেই তার প্রতিবাদ জানিয়েছিলাম। আন্দোলনের ৭ম কী ৮ দিনে শহীদ জননীর ছবি শোভা পায়। এবং আস্তে আস্তে তা কেন্দ্রিক হয়ে উঠে। কিন্তু আমার কাছে ওই ৭-৮ দিন খুব তাৎপর্যপূর্ণ। ওই কয়েকদিন কী করে শহীদ জননীকে ভুলে আন্দোলনে চলেছিলো?
একটা আন্দোলনের ফসল পেতে আমরা আড়াই দশক অপেক্ষা করলাম এবং এটি একটি অসাধারণ সফল আন্দোলন। ঠিক ২০০৭ সালেও বিশ্বাস করা অসম্ভব ছিলো যে মহা প্রতাপশালী ( এবং যাদের বিশ্বব্যাপী শক্তিশালী নেটওয়ার্ক আছে) ৭১ এর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে এই দেশে!
সেই অসম্ভব ঘটনা ঘটাতে যিনি কোটি মানুষের হৃদয়ে আশা জাগিয়েছিলেন - তিনি শহীদ জননী জাহানারা ইমাম।
এখন সময় হয়েছে, শহীদ জননীর কাছে এ জাতির অনেক দায় আছে, ঋণ আছে - তা কিছুটা শোধ করার।
অনেক কিছুই তার জন্য আমাদের করতে হবে। আপাতত একটা বিশ্ববিদ্যালয় চাই তাঁর নামে যেখানে ৭টি হল থাকবে ৭ জন বীরশ্রেষ্ঠদের নামে।
শহীদ জননী ঘুমিয়ে আছেন, আমরা জেগে আছি। ৭১ এর ঘাতকদের বিচার অব্যাহত রেখেই আমরা তার আত্মাকে শান্তি দিতে পারবো। এ বিচার অব্যাহত রাখাও দুর্গম গিরি কান্তার মরু দুস্তর পারাবার পারি দেবার মতোই।
সাত সাগড় রক্তের বিনিময়ে যে জাতি স্বাধীনতা এনেছে, সেই জাতি ঘাতকের বিচারে আরো ত্যাগ স্বীকার করবেই করবে, তবু যে আগুন শহীদ জননী জ্বালিয়ে গেছেন, ঘাতকের বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত সে অগ্নিশিখা জ্বলবে আমাদের চেতনায়।

Monday, May 25, 2015

শুভ উদ্যোগ -৩ : ‘কমিউনিকেশন স্কিলস ও ব্র্যান্ডিং’


যোগাযোগ দক্ষতাই ব্যক্তিজীবন, কর্মজীবন, সামাজিক জীবন - তিন ক্ষেত্রেই সাফল্যের প্রথম চাবি। আপনি জীবনে যাই করুন না কেন আপনার উন্নতির প্রথম চাবি , ‘কমিউনিকেশন স্কিলস ও ব্র্যান্ডিং’। সেই চাবি থাকলে জীবনের যে কোন ধাপে, যে কোন সময়ে, যে কোন ক্ষেত্রে উন্নয়নের দরজাগুলো আপনি সহজেই খুলতে পারবেন। আপনি এগুতে থাকবেন আর প্রশান্ত হৃদয়ে আপনার আত্মবিশ্বাস থাকবে তুঙ্গে। তো সেই স্কিলসগুলো জানতে বা শিখতে চান , অথবা আপনি অনেক ভালো, আরেকটু শানিত হতে চান এই বিষয়ে? তবে দেখা হবে, ১২-১৩ জুন ২০১৫ এ।
সোশ্যাল মিডিয়া এখন সবার ব্র্যান্ড গড়ার বিশাল সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়াকে নিজের সাফল্যের জন্য কীভাবে ব্যবহার করা যায়, তাও জানবেন এই দুই দিনের সেসনে।
যোগাযোগ দক্ষতা বাড়াতে আপনার সাইকোলজির ধারণা খুব জরুরি, যেটি আমরাই প্রথম চিন্তা করেছি - দুই এর মিশ্রণেই দক্ষতা বাড়বে। দুদিনের এত সহজ সেসনগুলো (১৫ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থেকে যা তৈরি করা হয়েছে) বাংলাদেশে আর কোথাও শেখার সুযোগ নেই। যারা রিসোর্স পারসোন থাকবেন তারা একটি পয়সাও এখন থেকে নেন না বরং খরচের একটা অংশ বহন করেন। এটি আমাদের স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজ। তবে আপনাদের নিজেদের খাওয়া এবং ভেন্যু ভাড়া বহন করতে হবে। যেটা আমরা প্রত্যেকই প্রত্যেকেরটা দিয়ে থাকি।
বিস্তারিত জানতে , যোগাযোগ nizam160374@gmail.com

Monday, September 29, 2014

Behind the Pharmacetucals business in Bangladesh - ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানির রমরমা ব্যবসা ও সাধারণ মানুষের পকেট ডাকাতি



ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানির রমরমা ব্যবসা ও সাধারণ মানুষের পকেট ডাকাতি 

১২০০০ কোটি (বারো হাজার কোটি টাকা) টাকার ঔষধ খায় বাংলাদেশের মানুষ এক বছরে!  ডেসটিনি গ্রুপের টাউট বাটপারদের মতো মেডিক্যাল রেপ্রেজন্টিভরা সারা দেশে এক ভয়াবহ অসাধু সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে এরা না থাকলে এ খরচ ৩,০০০ কোটি টাকায় নেমে আসতো চিকিৎসকদের উপহারের নামে হাজার থেকে শুরু করে কোটি (এমন কি দামি এপার্টম্যান্টও কিনে দেয়!) কোটি টাকা ঘুষ দিয়ে সাধারণ মানুষদের জিম্মি করে বছরে মানুষের পকেট থেকে ১০,০০০ কোটি টাকা বের করে নিচ্ছে
 
এই অতিরিক্ত খরচ জোগাতে অনেক পরিবারই নিঃস্ব হয়ে যায় দারিদ্র্য বৃদ্ধিতে এদের রয়েছে প্রত্যক্ষ ভূমিকা মেডিক্যাল রেপ্রেজিন্টভরা আসলে দেশের ভয়াবহ সর্বনাশের স্থায়ী পথ তৈরি করেছে

এদের থামাবে কে?                
বিঃদ্রঃ এভাবেই ৩০ হাজার টাকার হার্টের রিং তিন লাখ টাকায় বিক্রি করে হাজার হাজার মানুষের পকেট থেকে শত শত কোটি টাকা লুটপাট হচ্ছে।

Sunday, September 21, 2014

আসল শত্রু কে? তাজউদ্দীন আহমেদ নাকি মোশতাক?

আসল শত্রু কে? তাজউদ্দীন আহমেদ নাকি মোশতাক?
যারা রায়ের পক্ষে আগরুম বাগরুম স্টাটাস দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছের লোক প্রমাণ করার অশুভ চেষ্টা করছেন, প্রধানমন্ত্রীর কিছু হলে এরাই সবার আগে লেজ গুটিয়ে পালাবে।
নিশ্চিত করে বলতে পারি যারা আসলেই প্রধানমন্ত্রীকে ভালোবাসেন, যারা তাঁকে রক্ষার জন্য যে কোন ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত - তারাই চেষ্টা করছেন প্রধানমন্ত্রীর চারপাশের কিছু দালাল যারা তাঁকে জনগণের প্রতিক্রিয়া জানতে দিচ্ছেন না, তাদের সম্পর্কে সতর্ক করতে।
এমনি এক ক্রান্তিলগ্নে বঙ্গবন্ধু জাতির কীর্তি সন্তান, দেশ ও মানুষের জন্য যে মানুষটি ছিলেন অবিচল বিশ্বাসী, বঙ্গবন্ধু আজকের দালালদের মত কিছু দালালদের দ্বারা বিভ্রান্ত হয়ে তাঁকে দূরে সরিয়ে দিয়েছিলেন।
আর মোশতাকরা তাঁর কাছের মানুষ সেজে চরম সর্বনাশ করলো। বাংলাদেশ পিছিয়ে গেল শত বছর। দেশটা হলো সেনাবাহিনী, আমলা,টাউট বাটপারদের অভয়ারণ্য। লক্ষ কোটি টাকা লুটে গেল এই গোষ্ঠী।
আবারো এর পুনরাবৃত্তি হওয়ার ছায়া দেখা যাচ্ছে। মোশতাকরা যেন আবার সর্বনাশ না ঘটায়। গণজাগরণ মঞ্চের হাজারো নির্ভীক তরুণদের, যারা ইতোমধ্যেই চাকুরি থেকে শুরু করে জীবনের অনেক কিছুই ত্যাগ করেছে - তাদেরকে নির্যাতন করা শোভনীয় নয়। এটি অন্যায়।
আমি বিশ্বাস করি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বিভ্রান্ত করছে যারা, তাদের দ্রুতই চিহ্নিত করবেন। গণজাগরণ মঞ্চের হাজারো তরুণেদের মত প্রধানমন্ত্রীর বিশ্বস্ত কাছের মানুষ খুবই কম আছে। এদের ত্যাগ করা মানে, মরহুম তাজউদ্দীনের মতই ঘটনার পুনরাবৃত্তি করা।
চারপাশে যখন নাগীনিরা ফেলিছে নিঃশ্বাস, তখন আপনজনদের শত্রু বানানোর মত আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত আর কী হতে পারে? স্বাধীনতার পক্ষের সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকুক। জয় হোক মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির।

Saturday, August 2, 2014

Is Robi (mobile operator) abusing Street Children of Bangladesh through its advertisement?

'রবি ' কি গিনিজ বুকে ঠাঁই পাচ্ছে?
 
বিশ্বের বিজ্ঞাপনের ইতিহাসে, কর্পোরেট জগতের ইতিহাসে এত বড় আয়োজন কি কেউ কখনো দেখেছে? রবি এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে। মাত্র ১০০-১৫০ টাকার কিছু সিলমারা পাইকারি জামা পথশিশুদের দিতে গিয়ে সব টিভি চ্যানেলে কয়েক হাজার বার এয়ারিং, শত শত বিলবোর্ড, সেলিব্রিটি ভাড়া করা, প্রচারণার জন্য এজেন্ট ভাড়া করা, আরও কত কী, পুরো বাংলাদেশই কাঁপিয়ে দিয়েছে (এবং তা গ্রাহকদের কাছ থেকে ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইলিং এর মাধ্যমে নিয়েছে)।

একটি বিলবোর্ড এ যে খরচ হয়েছে, তার সম পরিমাণও খরচ করেনি শিশুদের জন্য। ১৫০ টাকার সিলমারা জামা কিভাবে ঈদের জামা হয়?

পথশিশুদের এর চেয়ে বড় শোষণ আর কি হতে পারে? রবি মোবাইল কোম্পানি না কি শিশু নির্যাতনকারী কোম্পানি?
শিশুদের সাথে প্রতারণার জন্য রবির বিরুদ্ধে সরকারকে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।


Wednesday, December 18, 2013

The Rights of Corrupted people

It is very amazing! thing that the corrupted people of Bangladesh are talking too much about Bangladesh.

wARNING FOR cORRUPTED pEOPLE-
DONT talk about Bangladesh. Just Shut UP. You have no right to talk about the well being of Bangladesh.

Corrupted people are NO 1 enemy of Bangladesh. They are More dangerous than the Razakaars.

The Rights of Corrupted People

It is very amazing! thing that the corrupted people of Bangladesh are talk too much about Bangladesh.

wARNING FOR cORRUPTED pEOPLE-
DONT talk about Bangladesh. Just Shut UP. You have no right to talk about the well being of Bangladesh.

Corrupted people are NO 1 enemy of Bangladesh. They are More dangerous than the Razakaars.

আমরা আসলে কী চাই?

আমরা আসলে কী চাই? এক মেডিকেল কোচিং সেন্টারের মালিক ডাঃকে ধরা হয়েছে। গত ১৮ বছরে ৪০০০ ছাত্রকে সে পাবলিক মেডিকেলে অবৈধভাবে চান্স পেতে অর্...