Tuesday, July 16, 2019

Sunday, July 7, 2019

Communication Skills

What is communication skills actually?

This video will tell us a lot.

https://www.youtube.com/watch?v=APqQ_ogHu9c&t=577s

Monday, April 17, 2017

বসে থাকলে, আপনার ক্যারিয়ারও বসে থাকবে। দৌড়ান, আপনার ক্যারিয়ারও দৌড়াবে।

(তবে কোথায় পৌঁছার জন্য দৌড় দিবেন সেটা কিন্তু ঠিকভাবে ঠিক করা চাই!)
পাশের বাড়ির ছেলেটা ফটোগ্রাফি করে মাসে দুই লাখ টাকা আয় করে, ওয়াও! ফটোগ্রাফি করে এতো টাকা! তাহলে তো আমাকেও ভর্তি হতে হয়। খালি শাটার টিপ দিয়েই এতো টাকা! তাহলে আমিও পারবো। দে দৌড়!
বেইলি রোডের পিঁয়াজু মামা খালি পিঁয়াজু বিক্রি কইরা ঢাকায় ৪টা বাড়ি করছে! দারুণ তো, তাহলে কি ফটোগ্রাফি শিখবো নাকি পিঁয়াজু বেচবো! পিঁয়াজু বানানো তো আরো সোজা! ঢাকায় ৪টা বাড়ি করা ঠেকায় কে!দে দৌড়!
লিটন দাস, জাবি দেখে পাশ করে মাসে ১০ লাখ টাকায় কামায়। কীসব ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের কাজ করে! এইটাতে তো দেখি টাকা আরও বেশি। ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট , এইটা কোন কাজ! মাসে ১০ লাখ, ঠেকায় কে, তাহলে ফটোগ্রাফি আর পিঁয়াজু না বেইচা ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের কাজ করি! দে দৌড়!
পাশের বাসার মামুন ভাই, বুয়েট থেকে পাশ করে ঢাকায় ১৩টা ফ্লাট কিনছে, ইস ছেলেটা যদি বুয়েটে চান্স পাইতো, তাইলে আর চিন্তা কী! ছেলে্রে কড়া নির্দেশ , “তোরে বুয়েটে পড়তেই হইবো”! ছেলেও দিলো দৌড়! বুয়েটে পড়তেই হইবো। নাভিদ ভাই বলছে, বুয়েটে পড়লে দেশের সেরা সুন্দরীরা তোমার দরজায় আইসা সিরিয়াল দিয়া নক করবো আর আমেরিকার ভিসা ফ্রি! দে দৌড় – একদিকে বড়লোকের সুন্দরি মাইয়া, আরেকদিকে দেশে থাকলে, একটু সিনিয়য় হইলে বছরে ২৫/৩০ কোটি টাকা ব্যাপার না। তাইলে ফটোগ্রাফির দরকার নাই, পিঁয়াজু বিক্রির দরকার নাই, ইভেন্ট ম্যনেজমেন্টেরও দরকার নাই। বুয়েটেই পড়তে হইবো। দে দৌড়!
ভাই শুনছেন, ডা. শায়লা ২৩ লাখ টাকা বেতনে আপেল হাসপাতালে জয়েন করেছে! এরকম হাসপাতাল দেশে আরও হইতেছে। মাইয়ারে ডাক্তার বানাইতেই হইবো! মাসে ২৩ লাখ খালি বেতন! এরপরে তো ফ্ল্যাট, গাড়ি তো ঔষধ কোম্পানি কিন্নাই রাখছে! বছরে বছরে আবার ব্র্যান্ড চেইঞ্জও কইরা দেয়! আরে বাপরে বাপ! মাইয়ারে কড়া নির্দেশ, “সখিনা, তোরে ডাক্তার হইতেই হইবো, এইটা তোর দাদার বাপের স্বপ্ন ছিলো!”, অথচ সখিনার স্বপ্ন হয়তো ছিলো অন্য কিছু। একবার ডাক্তার হইতে পারলে আর ঠেকায় কে! দে দৌড়!
ওদিকে খবর পাওয়া গেলো, রাজউকের দারোয়ান কোটি কোটী টাকা, কাস্টমস/রাজস্ব বিভাগের পিয়ন সিলেটে কোটি কোটি টাকার রাজপ্রাসাদ বানাইছে!ওমুক থানার ওসি, ১৩টা গার্মেন্টস দিছে, জমি কিনছে শত শত বিঘা!ওদিকে খবর হলো! পানি সাপ্লাইয়ের পাইপ কেনার ১২ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পে ঘাপলা দিয়া ৩ হাজার কোটি টাকা হাওয়া করে দিছে প্রধান প্রকৌশলী!
তাইলে কী হওয়া উচিত? ঠিক আছে, এক প্রোজেক্টে যদি ৩ হাজার কোটি টাকা মেরে দেয়া যায়, তাইলে আর চিন্তা কী! যাই এবার পানি সাপ্লাই দেয়ার প্রধান প্রকৌশলী হইতেই হবে। ডিসিসান ফাইনাল!
দে দৌড়!
কথায় কথায় ভুলে গেলাম, আসলে আমি কী হইতে চাইছিলাম! কোথায় যাওয়া দরকার ছিলো! গেলাম কোথায়! ব্যাংকে টাকার অভাব নেই, কিন্তু তারপরেও আমি অভাবগ্রস্ত!
সেই অভাব মনের শান্তির অভাব, যার অভাবে আসলে জীবনের ষোল আনাই মিছে। মিটার রিডার কোটি টাকার মালিক, শিক্ষাভবনের দারোয়ারের ইনকামও বেসুমার! সরকারি চাকুরি মানেই এক একটা ব্যাংক! টাকার কোন অভাব নেই।
কিন্তু আমারও একটা স্বপ্ন ছিলো, সেই স্বপ্নের খবর কী? স্বপ্নকে কবর দিলে, সে আবার জেগে উঠবে! সেই স্বপ্নের পেছনে দৌড়ানোটাই দরকার ছিলো, খুব দরকার ছিলো! দৌড় দেয়ার আগেই ঠিক করতে হবে, ঠিক কোথায় দৌড় দিতে হবে। জায়গাটা ঠিক করতে পারলে, ভালোভাবেই টাকা আসবে আর শান্তিও থাকবে।
দৌড়টা দিতে হবে, তবে ভেড়ার পালের মতো উদ্দেশ্যহীন নয়, মানুষের মতো।

Saturday, June 27, 2015

গণ আদালত থেকে গণজাগরণ মঞ্চ এবং ঘাতকদের ফাঁসি : শহীদ জননীর মৃত্যুবার্ষিকীতে আমাদের দায়।

৯০ এর গণ অভ্যুত্থানের পরে আরো একটি বড় আন্দোলন গড়ে উঠে বাংলাদেশে। আমার মতো যারা এখন ৪০+ নাগরিক তাদের হৃদয় থেকে 'ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি'র সেই মহান আন্দোলনের ঘটনাবলি কখনোই মুছে যাবে না। লক্ষ লক্ষ মানুষ সেই আন্দোলনে ছুটে যেতেন শহীদ জননীর ডাকে। সারা জাতি একতাবদ্ধ হয়েছিলো ৭১ এর ঘাতকদের বিচারের জন্য। আর গণ আদালতের রায়ের দিনে যত লক্ষ মানুষের সমাবেশ হয়েছিলো, ৭১ এর পরে এতো মানুষ কোন সমাবেশে হয়েছিলো কিনা জানি না।
সেই আন্দোলনে আমার মতো যারা নিয়মিত গিয়েছিলেন, তারা সবাই যেতেন প্রাণের টানে। আন্দোলনের এতই শক্তি ছিলো আমার মতো ঘরকুণো মানুষগুলোও কাতারে কাতারে ছুটে যেতো। সেই আন্দোলন নিয়ে যতটা ইতিহাস লেখা প্রয়োজন ছিলো, হয়তো তার জন্য সময় লাগবে।
কিন্তু মহান সেই আন্দোলনের দাবি কিন্তু সত্যি সত্যি এই বাংলার মানুষ আদায় করছে। হয়েছে গণজাগরণ মঞ্চ। শহীদ জননী জাহানারা ইমামের সেই আন্দোলনে যারা ছিলেন তারা সম্ভবত ঘরে থাকতে পারেন নি, গণজাগরণ মঞ্চের সেই আন্দোলনে। আমিও পারি নি। সেই আন্দোলনে নিয়মিত যাওয়ার জন্য আমাকে ব্যক্তিগতভাবে ব্যাপক আর্থিক এবং নানাবিধ সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছে। এ রকম হাজার হাজার মানুষ নানাভাবে ক্ষতির শিকার হয়েছে। অনেকেই চাকুরিও হারিয়েছেন।
কিন্তু কেনো গেছি? ওই যে শহীদ জননী হৃদয়ে যে বীজ বপন করে দিয়েছেন, তা তো বয়সের সাথে সাথে আলো বাতাসে ভালোভাবে বেড়ে উঠেছে।
কেন দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত বাংলাদেশের জন্য যুদ্ধাপরাধীদের বিচার অপরিহার্য, তা তো বুঝিয়েছেন শহীদ জননী। পাকিস্তানী দালালদের চিনতাম কীভাবে? এরা শহীদ জননীকে 'জাহান্নামের ইমাম ' বলতো। ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস - বাংলার মানুষকে শহীদ জননী তাদের বিচারের যে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন তার মৃত্যুর দুই দশক পরে সত্যি সত্যি তা বাস্তবায়িত হচ্ছে।
আমরা যারা অসম্ভব মনে করতাম, শহীদ জননী তা সম্ভব বলতেন এবং তিনি বলতেন বিচার হতেই হবে এবং হবেই। এবং বিচার এখন ঠিকই হচ্ছে।
আমরা হয়তো অনেক কিছু ভুলে যাই। গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলন যখন শুরু হয়, গিয়ে দেখি সেখানে শহীদ জননীর কোন কথা নেই, তার ছবি নাই - অনেকের ছবি সেখানে আছে। এই ফেসবুকেই তার প্রতিবাদ জানিয়েছিলাম। আন্দোলনের ৭ম কী ৮ দিনে শহীদ জননীর ছবি শোভা পায়। এবং আস্তে আস্তে তা কেন্দ্রিক হয়ে উঠে। কিন্তু আমার কাছে ওই ৭-৮ দিন খুব তাৎপর্যপূর্ণ। ওই কয়েকদিন কী করে শহীদ জননীকে ভুলে আন্দোলনে চলেছিলো?
একটা আন্দোলনের ফসল পেতে আমরা আড়াই দশক অপেক্ষা করলাম এবং এটি একটি অসাধারণ সফল আন্দোলন। ঠিক ২০০৭ সালেও বিশ্বাস করা অসম্ভব ছিলো যে মহা প্রতাপশালী ( এবং যাদের বিশ্বব্যাপী শক্তিশালী নেটওয়ার্ক আছে) ৭১ এর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে এই দেশে!
সেই অসম্ভব ঘটনা ঘটাতে যিনি কোটি মানুষের হৃদয়ে আশা জাগিয়েছিলেন - তিনি শহীদ জননী জাহানারা ইমাম।
এখন সময় হয়েছে, শহীদ জননীর কাছে এ জাতির অনেক দায় আছে, ঋণ আছে - তা কিছুটা শোধ করার।
অনেক কিছুই তার জন্য আমাদের করতে হবে। আপাতত একটা বিশ্ববিদ্যালয় চাই তাঁর নামে যেখানে ৭টি হল থাকবে ৭ জন বীরশ্রেষ্ঠদের নামে।
শহীদ জননী ঘুমিয়ে আছেন, আমরা জেগে আছি। ৭১ এর ঘাতকদের বিচার অব্যাহত রেখেই আমরা তার আত্মাকে শান্তি দিতে পারবো। এ বিচার অব্যাহত রাখাও দুর্গম গিরি কান্তার মরু দুস্তর পারাবার পারি দেবার মতোই।
সাত সাগড় রক্তের বিনিময়ে যে জাতি স্বাধীনতা এনেছে, সেই জাতি ঘাতকের বিচারে আরো ত্যাগ স্বীকার করবেই করবে, তবু যে আগুন শহীদ জননী জ্বালিয়ে গেছেন, ঘাতকের বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত সে অগ্নিশিখা জ্বলবে আমাদের চেতনায়।

Monday, May 25, 2015

শুভ উদ্যোগ -৩ : ‘কমিউনিকেশন স্কিলস ও ব্র্যান্ডিং’


যোগাযোগ দক্ষতাই ব্যক্তিজীবন, কর্মজীবন, সামাজিক জীবন - তিন ক্ষেত্রেই সাফল্যের প্রথম চাবি। আপনি জীবনে যাই করুন না কেন আপনার উন্নতির প্রথম চাবি , ‘কমিউনিকেশন স্কিলস ও ব্র্যান্ডিং’। সেই চাবি থাকলে জীবনের যে কোন ধাপে, যে কোন সময়ে, যে কোন ক্ষেত্রে উন্নয়নের দরজাগুলো আপনি সহজেই খুলতে পারবেন। আপনি এগুতে থাকবেন আর প্রশান্ত হৃদয়ে আপনার আত্মবিশ্বাস থাকবে তুঙ্গে। তো সেই স্কিলসগুলো জানতে বা শিখতে চান , অথবা আপনি অনেক ভালো, আরেকটু শানিত হতে চান এই বিষয়ে? তবে দেখা হবে, ১২-১৩ জুন ২০১৫ এ।
সোশ্যাল মিডিয়া এখন সবার ব্র্যান্ড গড়ার বিশাল সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়াকে নিজের সাফল্যের জন্য কীভাবে ব্যবহার করা যায়, তাও জানবেন এই দুই দিনের সেসনে।
যোগাযোগ দক্ষতা বাড়াতে আপনার সাইকোলজির ধারণা খুব জরুরি, যেটি আমরাই প্রথম চিন্তা করেছি - দুই এর মিশ্রণেই দক্ষতা বাড়বে। দুদিনের এত সহজ সেসনগুলো (১৫ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থেকে যা তৈরি করা হয়েছে) বাংলাদেশে আর কোথাও শেখার সুযোগ নেই। যারা রিসোর্স পারসোন থাকবেন তারা একটি পয়সাও এখন থেকে নেন না বরং খরচের একটা অংশ বহন করেন। এটি আমাদের স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজ। তবে আপনাদের নিজেদের খাওয়া এবং ভেন্যু ভাড়া বহন করতে হবে। যেটা আমরা প্রত্যেকই প্রত্যেকেরটা দিয়ে থাকি।
বিস্তারিত জানতে , যোগাযোগ nizam160374@gmail.com

Monday, September 29, 2014

Behind the Pharmacetucals business in Bangladesh - ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানির রমরমা ব্যবসা ও সাধারণ মানুষের পকেট ডাকাতি



ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানির রমরমা ব্যবসা ও সাধারণ মানুষের পকেট ডাকাতি 

১২০০০ কোটি (বারো হাজার কোটি টাকা) টাকার ঔষধ খায় বাংলাদেশের মানুষ এক বছরে!  ডেসটিনি গ্রুপের টাউট বাটপারদের মতো মেডিক্যাল রেপ্রেজন্টিভরা সারা দেশে এক ভয়াবহ অসাধু সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে এরা না থাকলে এ খরচ ৩,০০০ কোটি টাকায় নেমে আসতো চিকিৎসকদের উপহারের নামে হাজার থেকে শুরু করে কোটি (এমন কি দামি এপার্টম্যান্টও কিনে দেয়!) কোটি টাকা ঘুষ দিয়ে সাধারণ মানুষদের জিম্মি করে বছরে মানুষের পকেট থেকে ১০,০০০ কোটি টাকা বের করে নিচ্ছে
 
এই অতিরিক্ত খরচ জোগাতে অনেক পরিবারই নিঃস্ব হয়ে যায় দারিদ্র্য বৃদ্ধিতে এদের রয়েছে প্রত্যক্ষ ভূমিকা মেডিক্যাল রেপ্রেজিন্টভরা আসলে দেশের ভয়াবহ সর্বনাশের স্থায়ী পথ তৈরি করেছে

এদের থামাবে কে?                
বিঃদ্রঃ এভাবেই ৩০ হাজার টাকার হার্টের রিং তিন লাখ টাকায় বিক্রি করে হাজার হাজার মানুষের পকেট থেকে শত শত কোটি টাকা লুটপাট হচ্ছে।

Sunday, September 21, 2014

আসল শত্রু কে? তাজউদ্দীন আহমেদ নাকি মোশতাক?

আসল শত্রু কে? তাজউদ্দীন আহমেদ নাকি মোশতাক?
যারা রায়ের পক্ষে আগরুম বাগরুম স্টাটাস দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছের লোক প্রমাণ করার অশুভ চেষ্টা করছেন, প্রধানমন্ত্রীর কিছু হলে এরাই সবার আগে লেজ গুটিয়ে পালাবে।
নিশ্চিত করে বলতে পারি যারা আসলেই প্রধানমন্ত্রীকে ভালোবাসেন, যারা তাঁকে রক্ষার জন্য যে কোন ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত - তারাই চেষ্টা করছেন প্রধানমন্ত্রীর চারপাশের কিছু দালাল যারা তাঁকে জনগণের প্রতিক্রিয়া জানতে দিচ্ছেন না, তাদের সম্পর্কে সতর্ক করতে।
এমনি এক ক্রান্তিলগ্নে বঙ্গবন্ধু জাতির কীর্তি সন্তান, দেশ ও মানুষের জন্য যে মানুষটি ছিলেন অবিচল বিশ্বাসী, বঙ্গবন্ধু আজকের দালালদের মত কিছু দালালদের দ্বারা বিভ্রান্ত হয়ে তাঁকে দূরে সরিয়ে দিয়েছিলেন।
আর মোশতাকরা তাঁর কাছের মানুষ সেজে চরম সর্বনাশ করলো। বাংলাদেশ পিছিয়ে গেল শত বছর। দেশটা হলো সেনাবাহিনী, আমলা,টাউট বাটপারদের অভয়ারণ্য। লক্ষ কোটি টাকা লুটে গেল এই গোষ্ঠী।
আবারো এর পুনরাবৃত্তি হওয়ার ছায়া দেখা যাচ্ছে। মোশতাকরা যেন আবার সর্বনাশ না ঘটায়। গণজাগরণ মঞ্চের হাজারো নির্ভীক তরুণদের, যারা ইতোমধ্যেই চাকুরি থেকে শুরু করে জীবনের অনেক কিছুই ত্যাগ করেছে - তাদেরকে নির্যাতন করা শোভনীয় নয়। এটি অন্যায়।
আমি বিশ্বাস করি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বিভ্রান্ত করছে যারা, তাদের দ্রুতই চিহ্নিত করবেন। গণজাগরণ মঞ্চের হাজারো তরুণেদের মত প্রধানমন্ত্রীর বিশ্বস্ত কাছের মানুষ খুবই কম আছে। এদের ত্যাগ করা মানে, মরহুম তাজউদ্দীনের মতই ঘটনার পুনরাবৃত্তি করা।
চারপাশে যখন নাগীনিরা ফেলিছে নিঃশ্বাস, তখন আপনজনদের শত্রু বানানোর মত আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত আর কী হতে পারে? স্বাধীনতার পক্ষের সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকুক। জয় হোক মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির।

আমরা আসলে কী চাই?

আমরা আসলে কী চাই? এক মেডিকেল কোচিং সেন্টারের মালিক ডাঃকে ধরা হয়েছে। গত ১৮ বছরে ৪০০০ ছাত্রকে সে পাবলিক মেডিকেলে অবৈধভাবে চান্স পেতে অর্...